| বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের খাল খনন উদ্যোগে ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থন | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 17-03-2026 ইং
  • 612268 বার পঠিত
তারেক রহমানের খাল খনন উদ্যোগে ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থন | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ছবির ক্যাপশন: ডা. শফিকুর রহমান

Gemini said

আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং ২০২৬ সালের সমকালীন রাজনৈতিক ঐক্যের প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' স্টাইলে বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদনটি নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:


তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে জামায়াত আমিরের সাধুবাদ: দিলেন ৪ পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও জলাশয় পুনঃখনন কর্মসূচিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে সাধুবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সমর্থন জানান। তবে কর্মসূচির পূর্ণ সুফল পেতে নদী ড্রেজিং ও স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

নদীমাতৃক ঐতিহ্যের সংকট ও সমাধান

ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এক সময় স্রোতস্বিনী নদ-নদী ও খালের কারণে কৃষি ও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ ছিল। কিন্তু ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ এবং দীর্ঘদিনের অযত্নে নদীগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় বন্যা আর শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করছে। তিনি বলেন, "দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।"

লুটপাটতন্ত্র বনাম স্বচ্ছতা

বিগত সরকারগুলোর সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অতীতে ড্রেজিং ও নদী শাসনের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও লুটপাটতন্ত্রের কারণে জনগণ কোনো সুফল পায়নি। তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে। তাই সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় কাজে লাগানো সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।"

নদী সচল না হলে মিলবে না খালের সুফল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও একটি কারিগরি বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে—যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে। নদীগুলো নাব্যতা না ফিরলে শুধু খাল খনন করে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।"

১৯৫০ থেকে ২০২৬: পানি ব্যবস্থাপনার রাজনীতিকায়ন

বাংলাদেশের পানি ও নদী ব্যবস্থাপনার ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৫০-এর দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পানিসম্পদ উন্নয়ন ছিল স্রেফ প্রকৌশলগত বিষয়। ১৯৭০-এর দশকের শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ‘খাল খনন বিপ্লব’-এর মাধ্যমে একে একটি গণআন্দোলনে রূপ দেন।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের বিপ্লব পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশের’ প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের এই রাজনৈতিক দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১৯৫০ সালে যা ছিল স্রেফ দাবি, ২০২৬ সালে তা রূপ নিয়েছে জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে এই ধরণের ‘গঠনমূলক সমর্থন’ ও ‘পরামর্শমূলক রাজনীতি’ দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সূত্র: ১. বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ (১৬ মার্চ ২০২৬)।

২. জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও সংসদীয় প্রেস উইং।

৩. জাতীয় আর্কাইভস: বাংলাদেশে নদী শাসন ও খাল খনন আন্দোলনের বিবর্তন (১৯৫০-২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency